বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার ক্ষেত্রে বিকাশ অন্যতম জনপ্রিয় একটি সেবা। আর এ বিকাশ গ্রাহক বাংলাদেশের ভিতরে মোট ৮কোটি ২০ লাখ এর বেশি ।আরে বিকাশের মাধ্যমে মানুষ দৈনন্দিন জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন। টাকা পাঠানো, টাকা গ্রহণ, মোবাইল রিচার্জ সকল ধরনের বিল পেমেন্ট, কেনাকাটার বিল পেমেন্ট, এসব কাজগুলো মানুষ বিকাশের মাধ্যমে করছে। আর বিকাশ ব্যবহারকারী যত বাড়ছে, বিকাশকে কেন্দ্র করে প্রতারণার বিভিন্ন কৌশলও তত বেশি দেখা যাচ্ছে।
তাই বিকাশ প্রতারকের হাত থেকে বাঁচার জন্য যে কাজগুলো করতে হবে তাই এই পোস্টটি পড়লে আপনি সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পারবেন। তবে চলুন বাংলাদেশ বিকাশ প্রতারকেরা দিনের পর দিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সেগুলো থেকে বাঁচার উপায় আমরা জেনে নেই। নিচের উপায় বর্ণনা করা হল
 |
| বিকাশের PIN ও OTP কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না—প্রতারকদের ফোনে সতর্ক থাকুন। |
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
কখনোই বিকাশের PIN হিসেবে একই সংখ্যা বারবার ব্যবহার করবেন না, যেমন ১১১১১ বা ২২২২২।
সহজে অনুমান করা যায় এমন PIN, যেমন একই সংখ্যা বারবার ব্যবহার করা বা ধারাবাহিক সংখ্যা ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। PIN কখনো কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না।
সূচিপত্র
- বিকাশ প্রতারণা কি?
- ভুয়া বিকাশ কর্মকর্তার পরিচয়ে ফোন
- ভুল করে টাকা পাঠানোর প্রতারণা
- ভুয়া ক্যাশব্যাক ও পুরস্কার এর অফার
- PIN বা OTP চাওয়া
- ভুয়া কাস্টমার কেয়ার নাম্বার
- ভুয়া পেমেন্ট স্কিনশট
- ফেসবুক ও মেসেঞ্জার এর মাধ্যমে প্রতারণা
- একাউন্ট বন্ধ ও আপডেট এর প্রতারণা
- অনলাইন কেনাকাটায় অগ্রিম টাকা নেওয়ার প্রতারণা
- প্রতারণা থেকে বাঁচার গুরুত্বপূর্ণ উপায়
- প্রতারণার শিকার হলে কি করবেন
১.বিকাশ প্রতারণা কি?
বাংলাদেশে মোবাইল আর্থিক সেবার ক্ষেত্রে বিকাশ একটি বহুল ব্যবহৃত সেবা।আর বিকাশের মাধ্যমে আপনার একটি অসতর্কতার কারণে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বিকাশ প্রতারক চক্র। আপনার একটু অসাবধানতায় বিকাশ চক্র PIN OTP আপনার কাছ থেকে নিয়ে নিচ্ছে আপনি বুঝতে পারছেন না। এবং আপনার অ্যাকাউন্ট টাকা টাকা মুহূর্তের ভেতর বিকাশ প্রতারক চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে।
বিকাশ প্রতারক চক্র এমন ভাবে ফাঁদে ফেলছে আপনাকে ফোন করে একটি নির্দিষ্ট অ্যামাউন্ট এর টাকা দাবি করছে বলছে আপনি টাকাটি পাঠালে তার দ্বিগুণ বা তিন গুন টাকা আপনাকে দেওয়া হবে এরকম বলছে। এরকমভাবে ও টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে
আর এই সকল মাধ্যমে গ্রাহকের কাছ থেকে প্রতারক টাকা হাতিয়ে নেওয়া কেই একত্রে বিকাশ প্রতারণা বলে।
২.ভুয়া বিকাশ কর্মকর্তা পরিচয় ফোন
এটি একটি পরিচিত ধারনের প্রতারণা। প্রতারক ফোন করে নিজেকে বিকাশ কর্মকর্তা বা কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধি পরিচয় দিবে। এরপর বলবে আপনার একাউন্টের সমস্যা হয়েছে অ্যাকাউন্ট করতে হবে এই বলে আপনার কাছে পিন এবং OTP হাতিয়ে নেবে।
এরপর দেখবেন মুহূর্তে আপনার একাউন্টের খালি হয়ে গেছে।
একটি জিনিস অতি জরুরি ভাবে মনে রাখবেন বিকাশ কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধি কখনোই আপনাকে ফোন করে ওটিপি বা পিন জানতে চাইবে না। কখনো কেউ জানতে চাইলে সাথে সাথে মনে করবেন ও বিকাশ প্রতারক
 |
| ভুয়া কাস্টমার কেয়ার পরিচয়ে ফোন করে PIN বা OTP চাইলে সতর্ক থাকুন এবং তথ্য শেয়ার করবেন না। |
৩. ভুল করে টাকা পাঠানোর প্রতারণা
আরেকটি প্রতারণার কৌশল কেউ ফোন করে বলতে পারে আপনার নাম্বারে ভুল করে টাকা চলে গেছে এরপর আপনাকে ভুয়া একটি স্ক্রিনশট বা ভয়ে এসএমএস দেখিয়ে বা কান্নাকাটি করে টাকা হাতে নেওয়ার চেষ্টা করবেন। কিন্তু ভুয়া স্ক্রিনশট দেখে টাকা পাঠানো ফেরত দেওয়া উচিত নয়। আপনার বিকাশের ব্যালেন্স চেক করে দেখবেন টাকা এসেছে কিনা। ব্যালেন্সে টাকা না যোগ হলেই ভাববেন ভুয়া প্রতারক।
যা করবেন?
- স্ক্রিনশট এবং এসএমএস এর সোর্স দেখুন
- কাস্টমার ম্যানেজারদের সাথে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করবেন
- এ ধরনের কথা বললে ফোন ধরবেন না বা কেটে দেবেন৷
৪.ভুয়া ক্যাশব্যাক ও পুরস্কার এর অফার
প্রতারক আপনাকে এমনভাবে মেসেজ দিবে বলবে আপনি 5000 টাকা ক্যাশব্যাক পেয়েছেন বা ৫০০০ টাকা পুরস্কার অফার পেয়েছেন। এই টাকাটা পেতে হলে আপনাকে ২০০০ টাকা পাঠাতে হবে একটা বিকাশ নাম্বার দিয়ে। বিকাশ প্রতারক এরকম প্রলোভন দেখিয়ে আপনার কাছে টাকা হাতে নিবেন।
ফেসবুক অথবা যে কোন এসএমএস এর মাধ্যমে আপনার কাছে একটা ভুয়া লিংক পাঠিয়ে সেখানে চাপ দিলে আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে যেতে পারে।
নিরাপদ থাকতে যা করবেন
এরকম ক্যাশব্যাক বা পুরস্কার জেতার অফার আসলে এড়িয়ে চলবেন। কখনো কোন বা লিংক বা খারও এসএমএস ক্লিক করবেন না। টাকার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা চাইলে কখনোই টাকা দেবেন না সরাসরি বিকাশ কাস্টমার কেয়ার অফিসারের সাথে যোগাযোগ করবেন।
৫.PIN বা OTP চাওয়া
বিকাশ একাউন্টের পিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা তথ্য। ঠিক তেমনভাবে আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্ট নাম্বারের ওটিপিটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কেউ যদি ফোন করে বলে আপনার বিকাশ একাউন্ট এর আপডেটের জন্য পিন অথবা ওটিপি চাই তাহলে সাথে সাথে সতর্ক হয়ে যাবেন। বিকাশ কখনো আপনার পিন এবং otp জানতে চাইবে না। এবং আর একটা জিনিস ভালোভাবে খেয়াল রাখবেন যখন আপনি কোন লেনদেন করবেন বা কোন পেমেন্ট বা ক্যাশ আউট করবেন তখন যে পিন নাম্বার ব্যবহার করবেন এটা যাতে আশপাশের লোকজন কোনভাবে দেখতে না পায়।
৬.ভুয়া কাস্টমার কেয়ার নাম্বার
বিকাশের অফিশিয়ালি হেল্পলাইন নাম্বার ১৬২৪৭। এই নাম্বার ব্যতীত বিকাশের কোন অফিশিয়ালি নাম্বার নাই আর। এর বাইরে যতগুলো নাম্বার থেকে আপনাকে ফোন আসবে বিকাশের পিন ওটিপি জানতে চাইবে বা আপনি কোন লটারি টাকা জিতেছেন কিংবা আপনার একাউন্টে আপডেট করতে হবে এরকম কথা বলে থাকবে বুঝবেন যে এটা ভুয়া এবং প্রতারক।
আপনি যেভাবে নিরাপদ থাকবেন
- বিকাশ কখনো আপনার পিন এবং ওটিপি জানতে চাইবে না
- বিকাশ পিন নাম্বার কারো সাথে শেয়ার করবেন না
- অনেক মানুষের সামনে ফোন বের করে বিকাশ পিন নাম্বার দিবেন না গোপনে দিবেন।
৭.ভুয়া পেমেন্ট ও স্ক্রিনশট
প্রতারক আপনার সাথে অনেক ভাবে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবে যেরকম পেমেন্ট স্ক্রিনশট দেখিয়ে। প্রতারক আপনাকে ভুয়া স্ক্রিনশট দেখিয়ে বলবে যে আপনার নাম্বারে সে ভুল করে টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে। স্ক্রিনশট এর মাধ্যমে প্রতারক ফাঁদ পাদবে। আপনি ভুলেও সেভ ফাদে পা দেবেন না। কেউ যদি আপনাকে ভুয়া পেমেন্ট স্ক্রিনশট দেখায় তো সাথে সাথে আপনি আপনার ব্যালেন্স স্টেটমেন্ট চেক করবেন।
৮.ফেসবুক ও মেসেঞ্জার এর মাধ্যমে প্রতারণা
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোন পণ্য অল্প দামে আপনাকে প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবে। চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে আগে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে টাকা হাতিয়ে নেবে। তারপর আপনি টাকা পাঠানোর পর দেখবেন সে আপনাকে ব্লাকলিস্ট অথবা সিম ডিএক্টিভেট করে দিয়েছে।মেসেঞ্জারের মাধ্যমে আপনাকে কোন লিংক পাঠিয়ে দেবে অনেক সুন্দর সুন্দর গেম অথবা অন্য কোন সাইডে নিয়ে গিয়ে পরের স্টেপে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিকাশ পেমেন্ট করতে বলবে এরকম ভাবে টাকা আপনার কাছে হাতিয়ে দিবে।
তাই আপনি যদি একজন বিকাশ সচেতন গ্রাহক হন তাহলে এগুলো থেকে আপনি সবসময় সতর্কতা অবলম্বন করবেন।
৯.একাউন্ট বন্ধ ও আপডেটের প্রতারণা
উপরের প্রতারণা গুলোর ভিতরে এই অ্যাকাউন্ট বন্ধ আপডেটের প্রতারণাটাও অনেক ঘটে চলেছে। ধরুন আপনার একাউন্টে অনেক টাকা আছে এবং আপনি প্রত্যেকদিন অনেক লেনদেন করেন। হঠাৎ কেউ যদি ফোন দিয়ে বলে একাউন্ট বন্ধ করে দেবে বা আপডেট করার জন্য আপনার পিন এবং ওটিপি চাইবে। আপনি দিতে না চাইলে একাউন্ট বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখাবে। একাউন্টের মাধ্যমে অনেক লেনদেন করার কারণে একাউন্ট বন্ধের ভয় দেখালে এমনিতেই আপনি পিন নম্বর এবং ওটিপি শেয়ার করতে চাইবেন।
তবে একটা জিনিস সব সময় খেয়াল করবেন আপনার সচল একাউন্ট কখনোই বিকাশ বন্ধ বা আপডেটের জন্য কোন কিছু চাইবে না। কারণ আপনি যখন বিকাশ একাউন্ট করেছিলেন তখনই এনআইডি কার্ড এবং আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য তাদের কাছে সংগ্রহীত আছে। তাই অ্যাকাউন্ট বন্ধ আপডেটের প্রতারণার ভয় দেখালে কখনো ভয় পাবেন না।
এগুলো বিকাশ প্রতারণার এক একটি ফাঁদ। আপনি এসব খাদে কখনোই পা দেবেন না এগুলো থেকে দূরে থাকবেন।এরকম নাম্বার থেকে কল আসলে হয় কলটা কেটে দেবে না হলে ফোন ধরার দরকার নাই।
১০.অনলাইন কেনাকাটায় অগ্রিম টাকা নিয়ে প্রতারণা
অনলাইনে পণ্য বিক্রয় করার সময় কোন অসাধু প্রতারক আপনাকে পণ্য অল্প মূল্যে দিবে বলে অগ্রিম বিকাশে টাকা চেয়ে বসে।টাকা পাঠানোর পর তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। নাম্বার বন্ধ বা তার সাথে যোগাযোগ করা যায় না।
নিজেকে কিভাবে নিরাপদ রাখবেন?
- বিক্রেতার পরিচয় যাচাই করুন।
- প্রতিষ্ঠানের রিভিউ দেখুন।
- সম্ভব হলে নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন।
- অপরিচিত ব্যক্তিকে অগ্রিম কোন টাকা পাঠাবেন না
- অস্বাভাবিক কম দামের অফার সব সময় সতর্ক থাকবেন।
পরিচিত ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে প্রতারণা
কখনো কখনো প্রতারক আপনার পরিচিত নাম বলে প্রতারণা করে থাকবে। আপনার কোন কাছের পরিচিত কারো নাম বলবে যে আমি অমুক বলছি। দিয়ে বলবে অনেক বিপদ বা টাকার অতি প্রয়োজন। দ্রুত টাকা পাঠাতে বলবে।
এক্ষেত্রে আপনি সর্বপ্রথম তার কণ্ঠস্বর চেনার চেষ্টা করবেন। যদি নাম বলে এবং কণ্ঠস্বর চেনা না যায় তাহলে টাকা পাঠাবেন না।
বিকাশ প্রতারণা থেকে বাঁচার ১০ টি উপায়
- পিন কাউকে বলবেন না
- ওটিপি কারো সাথে শেয়ার করবেন না
- অচেনা লিংকে ক্লিক করার আগে সতর্ক থাকুন
- ফোনে কেউ চাপ সৃষ্টি করলে তাড়াহুড়া করে সিদ্ধান্ত নেবেন না
- ভুয়া ক্যাশব্যাক ও পুরস্কার এর বিষয়ে সতর্ক থাকুন
- শুধু স্ক্রিনশট দেখে টাকা পাঠানোর ভুল করবেন না
- অফিসিয়াল কাস্টমার কেয়ার নাম্বার ছাড়া কোন নাম্বার ব্যবহার করবেন না
- অপরিচিত কাউকে মোটা অংকের টাকা পাঠাবেন না
- সন্দেহে জনক লেনদেন হলো দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেন
- বিকাশ সম্পর্কে যেকোনো তথ্য জানতে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং হেল্পলাইন নাম্বার ব্যবহার করুন।
 |
| বিকাশ প্রতারণা থেকে নিরাপদ থাকতে PIN, OTP, অচেনা লিংক ও সন্দেহজনক লেনদেন সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। |
প্রতারণা শিকার হলে কি করবেন
আপনি প্রতারণার শিকার হলে সঙ্গে সঙ্গে বিকাশ অফিসিয়াল হেল্পলাইন নাম্বারে live chat যোগাযোগ করুন। এবং আপনি কিভাবে প্রতারিত হয়েছেন সেটা কাস্টমার অফিসারকে বলেন।ফোনের প্রতারণার সময় যেসব টাকাগুলো পাঠিয়েছেন তার স্ক্রিনশট প্রমাণ সব রাখুন।
কোন বড় ধরনের প্রতারণা হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান এবং থানায় জিডি করুন।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
মনে রাখবেন, প্রতারকরা প্রতিদিন নতুন নতুন কৌশল ব্যবহার করতে পারে। তাই শুধু এই পোস্টে উল্লেখ করা কয়েকটি পদ্ধতি জানলেই যথেষ্ট নয়।
কেউ ফোন করে তাড়াহুড়ো করালে, ভয় দেখালে, পুরস্কারের লোভ দেখালে অথবা গোপন তথ্য চাইলে প্রথমে থামুন এবং বিষয়টি যাচাই করুন।
আপনার PIN, OTP এবং অন্যান্য গোপন নিরাপত্তা তথ্য নিজের কাছেই রাখুন।
লেখকের মতামত
বিকাশ ব্যবহার করার সময় PIN, OTP এবং অন্যান্য গোপন তথ্য কাউকে না দেওয়া, অপরিচিত লিংকে ক্লিক না করা এবং সন্দেহজনক লেনদেনের ক্ষেত্রে দ্রুত অফিসিয়াল সাপোর্টে যোগাযোগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একটু সচেতনতা আপনাকে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারে।
0 মন্তব্যসমূহ